ঢাকায় ভাড়া নেওয়ার জন্য ৬–৭ তলা কমার্সিয়াল ভবন খুঁজছি

ঢাকায় ভাড়া নেওয়ার জন্য ৬–৭ তলা কমার্সিয়াল ভবন খুঁজছি
ঢাকায় ভাড়া নেওয়ার জন্য ৬–৭ তলা কমার্সিয়াল ভবন খুঁজছি
ঢাকায় ভাড়া নেওয়ার জন্য ৬–৭ তলা কমার্সিয়াল ভবন খুঁজছি
ঢাকায় ভাড়া নেওয়ার জন্য ৬–৭ তলা কমার্সিয়াল ভবন খুঁজছি
ঢাকায় ভাড়া নেওয়ার জন্য ৬–৭ তলা কমার্সিয়াল ভবন খুঁজছি

EcommerceBD ঢাকার উত্তরা, গুলশান, বনানী, বাড্ডা ও বসুন্ধরা এলাকায় ৬ বা ৭ তলা একটি সম্পূর্ণ খালি কমার্সিয়াল ভবন দীর্ঘমেয়াদে ভাড়া নিতে আগ্রহী। আমাদের বড় কমার্সিয়াল ভবন লিজ কর্মসূচি-এর জন্য সরাসরি ভবনমালিক অথবা তাঁর অনুমোদিত প্রতিনিধির কাছ থেকে পূর্ণ তথ্যসহ প্রস্তাব চাওয়া হচ্ছে।

আমরা কোনো ভবনের এক বা দুইটি তলা নিতে চাই না। আমাদের প্রয়োজন একটি সম্পূর্ণ ভবন, যাতে একই জায়গায় অফিস, গ্রাহকসেবা, সভাকক্ষ এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক কাজ পরিচালনা করা যায়। আপনার ভবনটি যদি বর্তমানে খালি থাকে অথবা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খালি করে দেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে নিচের তথ্যগুলো দেখে প্রস্তাব পাঠাতে পারেন।

 

সংক্ষেপে আমাদের প্রয়োজন

  • এলাকা: উত্তরা, গুলশান, বনানী, বাড্ডা অথবা বসুন্ধরা।
  • ভবন: ৬ বা ৭ তলা এবং সম্পূর্ণ খালি।
  • সুবিধা: লিফট, গাড়ি রাখার জায়গা, পানি, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা।
  • ব্যবহার: অফিস ও অন্যান্য বৈধ বাণিজ্যিক কাজের উপযোগী।
  • চুক্তি: যাচাই ও আলোচনার ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি ভাড়ার ব্যবস্থা।

 

ঢাকার কোন কোন এলাকায় আমরা ভবন খুঁজছি? 

আমাদের পছন্দের এলাকাগুলো হলো উত্তরা, গুলশান, বনানী, বাড্ডা এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। তবে শুধু এলাকার নাম মিললেই ভবন নির্বাচন করা হবে না। প্রধান সড়ক থেকে দূরত্ব, যানবাহনের প্রবেশ, কর্মীদের যাতায়াত, গাড়ি রাখার ব্যবস্থা এবং আশপাশের পরিবেশও বিবেচনা করা হবে।

এলাকা

যা দেখা হবে

মালিক যে তথ্য দেবেন

উত্তরা

বিমানবন্দর ও প্রধান সড়কের সঙ্গে যোগাযোগ

সেক্টর, রোড নম্বর ও কাছের পরিচিত স্থান

গুলশান

প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক ও কর্মকর্তাদের যাতায়াত

রোড নম্বর, প্রবেশব্যবস্থা ও গাড়ি রাখার জায়গা

বনানী

ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও সভার সুবিধা

ব্লক, রোড এবং ভবনে প্রবেশের নিয়ম

বাড্ডা

প্রধান সড়ক ও আশপাশের এলাকার সংযোগ

প্রধান সড়ক থেকে দূরত্ব ও রাস্তার প্রস্থ

বসুন্ধরা

পরিকল্পিত পরিবেশ ও বড় জায়গার সুবিধা

ব্লক, রোড, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের তথ্য

উত্তরায় আমাদের কর্মক্ষেত্রভিত্তিক সেবা সম্পর্কে জানতে উত্তরা এলাকার অফিস ও কর্মক্ষেত্রের পেজ দেখুন। গুলশান সম্পর্কে জানতে গুলশান এলাকার কর্মক্ষেত্রের পেজ দেখতে পারেন।

 

আপনার ভবনটি কি আমাদের প্রাথমিক শর্ত পূরণ করে?

একটি ভবনের তলার সংখ্যা ঠিক থাকলেই সেটি আমাদের জন্য উপযুক্ত হবে না। ভবনটি বৈধভাবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যায় কি না, সব তলা একসঙ্গে পাওয়া যাবে কি না এবং প্রতিদিনের অফিস পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আছে কি না—এসব বিষয় আগে দেখা হবে।

  • ভবনটি ৬ বা ৭ তলা এবং পুরো ভবনটি একসঙ্গে ভাড়া দেওয়া যাবে।
  • প্রতিটি তলার মোট ও ব্যবহারযোগ্য আয়তন স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
  • ভবনে সচল লিফট থাকতে হবে; লিফটের ধারণক্ষমতা ও রক্ষণাবেক্ষণের তথ্য দিতে হবে।
  • গাড়ি ও মোটরসাইকেল রাখার বাস্তব ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, বিকল্প বিদ্যুৎব্যবস্থা, পানি এবং শৌচাগার থাকতে হবে।
  • নিরাপদ সিঁড়ি, জরুরি বের হওয়ার পথ এবং অগ্নিনিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
  • ভবন এখন খালি না হলে, কবে খালি করে হস্তান্তর করা যাবে তা জানাতে হবে।

আপনার কাছে পুরো ভবনের বদলে ছোট অফিস বা আলাদা তলা থাকলে অফিস স্পেস ভাড়া দেওয়ার পেজ দেখতে পারেন।

 

ভবনের প্রস্তাব পাঠাতে কী তথ্য প্রয়োজন? 

প্রথম বার্তাতেই প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে আমরা দ্রুত বুঝতে পারব ভবনটি প্রাথমিকভাবে উপযুক্ত কি না। শুধু “আমার ভবন আছে, যোগাযোগ করুন” লিখলে যাচাই করতে বেশি সময় লাগে। তাই নিচের তথ্যগুলো একসঙ্গে পাঠানোর অনুরোধ করছি।

  • ভবনমালিকের নাম, ফোন নম্বর ও ইমেইল ঠিকানা। প্রতিনিধি হলে মালিকের অনুমতিপত্রের তথ্য।
  • ভবনের পূর্ণ ঠিকানা, গুগল ম্যাপের অবস্থান এবং প্রধান সড়ক থেকে দূরত্ব।
  • প্রতি তলার আয়তন, মোট ব্যবহারযোগ্য জায়গা এবং জমির পরিমাণ।
  • ভবনের সামনের অংশ, প্রবেশপথ, প্রতিটি তলা, সিঁড়ি, লিফট, ছাদ ও গাড়ি রাখার জায়গার ছবি বা ভিডিও।
  • প্রত্যাশিত মাসিক ভাড়া, অগ্রিমের পরিমাণ, ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব এবং হস্তান্তরের সম্ভাব্য তারিখ।
  • মালিকানার দলিল, নামজারি, অনুমোদিত নকশা এবং প্রযোজ্য ব্যবহার ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত নথির তালিকা।
  • বিদ্যুতের অনুমোদিত ক্ষমতা, জেনারেটর, সাবস্টেশন, পানির উৎস এবং লিফটের বর্তমান অবস্থা।

কাজের সুবিধার জন্য

  • প্রতিটি ভবনের জন্য আলাদা ইমেইল বা আলাদা তথ্যপত্র পাঠান।
  • ছবিগুলো সাম্প্রতিক কি না এবং কখন তোলা হয়েছে তা লিখুন।
  • গোপন তথ্য থাকা দলিল প্রথম ধাপে আংশিক ঢেকে পাঠাতে পারেন; চূড়ান্ত যাচাইয়ে মূল নথি লাগতে পারে।

 

ভাড়া ছাড়াও আর কোন খরচগুলো হিসাব করা হবে?

একটি ভবন নেওয়ার মোট খরচ শুধু মাসিক ভাড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভবনটি অফিস হিসেবে ব্যবহারযোগ্য করতে কত টাকা লাগবে, লিফট বা অগ্নিনিরাপত্তায় নতুন কাজ দরকার কি না, বিদ্যুৎ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কার—এসবের ওপর প্রকৃত খরচ নির্ভর করে। তাই ভবন না দেখে আমরা নির্দিষ্ট ভাড়া বা চূড়ান্ত বাজেট ঘোষণা করছি না।

খরচের বিষয়

যা জানা দরকার

চুক্তিতে যা লেখা থাকবে

মাসিক ভাড়া

পুরো ভবনের ভাড়া কত এবং কীভাবে নির্ধারিত?

পরিমাণ, পরিশোধের তারিখ ও ভাড়া বৃদ্ধির নিয়ম

অগ্রিম বা জামানত

কত মাসের টাকা দিতে হবে?

ফেরত, সমন্বয় ও কাটার নিয়ম

ভবন প্রস্তুতের খরচ

সাজসজ্জা বা নিরাপত্তার কাজ কে করবে?

কাজের তালিকা ও খরচের দায়িত্ব

বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সেবা

মিটার, জেনারেটর, লিফট ও নিরাপত্তার খরচ কে দেবে?

বিল হিসাবের নিয়ম

মেরামত

দৈনন্দিন ও বড় ধরনের মেরামতের দায়িত্ব কার?

দুই পক্ষের দায়িত্বের তালিকা

কর ও কাগজপত্র

প্রযোজ্য কর, স্ট্যাম্প ও নিবন্ধনের খরচ কীভাবে হবে?

আইন ও পরামর্শ অনুযায়ী দায়িত্ব

প্রথম বছরের সম্ভাব্য মোট ব্যয় বুঝতে ১২ মাসের ভাড়া, ভবন প্রস্তুতের খরচ, সেবা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আলাদাভাবে হিসাব করা উচিত। ফেরতযোগ্য জামানতকে খরচ না ধরে শুরুতে প্রয়োজনীয় নগদ টাকার অংশ হিসেবে আলাদা দেখানো ভালো।

 

বেশি ভাড়া ও অগ্রিমের কারণে ব্যর্থ হওয়া একটি বাস্তব ঘটনা

দ্য ডেইলি স্টারের Commercial spaces too expensive প্রতিবেদনে উদ্যোক্তা মঞ্জুরুল আলম বলেন, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে দোকান নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতি বর্গফুট ২৫০ টাকা ভাড়া এবং ছয় মাসের অগ্রিম তাঁর পরিকল্পনা থেকে সরে আসার কারণ হয়েছিল (The Daily Star, দেখা হয়েছে ১০ অক্টোবর ২০২৬)।

এই ঘটনাটি বর্তমান বাজারদর নির্ধারণের জন্য নয়। ভাড়া ও অগ্রিমের শর্ত বাস্তবসম্মত না হলে উপযুক্ত ভাড়াটিয়াও অন্য জায়গা বেছে নিতে পারে—এটি বোঝানোর জন্য ঘটনাটি এখানে দেওয়া হলো।

  • ভবনমালিক প্রতি বর্গফুট ২৫০ টাকা ভাড়া চেয়েছিলেন।
  • একই সঙ্গে ছয় মাসের অগ্রিম চাওয়া হয়েছিল।
  • শুরুতেই অনেক টাকা প্রয়োজন হওয়ায় তিনি ধানমন্ডির পরিকল্পনা বাদ দেন।
  • পরে তিনি লালমাটিয়ায় প্রায় ৭০০ বর্গফুট জায়গা মাসে ৩০ হাজার টাকায় নেন।

ভবনমালিকের জন্য শিক্ষাটি হলো: শুধু বেশি ভাড়া চাইলেই দীর্ঘমেয়াদে বেশি আয় নিশ্চিত হয় না। অগ্রিম, ভবন প্রস্তুতের খরচ, ভাড়া বৃদ্ধির নিয়ম এবং মেরামতের দায়িত্ব অস্পষ্ট হলে ভালো প্রতিষ্ঠানও পিছিয়ে যেতে পারে। তাই সব শর্ত একটি লিখিত প্রস্তাবে পরিষ্কার করা উচিত।

 

ভবনের অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা যাচাই করা জরুরি

রাজউকের প্রকাশিত প্রশ্নোত্তর অনুযায়ী, আবাসিক জমিতে প্রয়োজনীয় ব্যবহার পরিবর্তন ছাড়া বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদন পাওয়া যায় না। রাজউকের Construction Permit FAQ অনুযায়ী, নির্মাণ শেষ হওয়ার পর ভবন ব্যবহারের আগে Occupancy Certificate নিতে হয় (রাজউক নির্মাণ অনুমতি পোর্টাল, দেখা হয়েছে ১০ অক্টোবর ২০২৬)।

বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিসের অনলাইন ব্যবস্থায় প্রস্তাবিত, বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করা যায়। তাই ভবন পরিদর্শনের সময় অগ্নিনিরাপত্তার কাগজপত্র, জরুরি সিঁড়ি, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং বের হওয়ার পথ বাস্তবে মিলিয়ে দেখা হবে (বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস eNOC সিস্টেম, দেখা হয়েছে ১০ অক্টোবর ২০২৬)।

  • অনুমোদিত নকশা ও ভবনের বর্তমান গঠন মিলছে কি না দেখা হবে।
  • ভবনটি যে কাজে অনুমোদিত, বাস্তবে একই কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না যাচাই করা হবে।
  • প্রযোজ্য দখল বা ব্যবহার সনদ এবং অগ্নিনিরাপত্তার কাগজপত্র দেখা হবে।
  • জরুরি বের হওয়ার পথ, সিঁড়ি, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, সংকেতব্যবস্থা এবং পানি সরবরাহ বাস্তবে পরীক্ষা করা হবে।
  • শুধু কাগজ থাকলেই সব ব্যবস্থা কার্যকর—এমন ধরে নেওয়া হবে না। সরেজমিনে যাচাই করা হবে।

এগুলো সাধারণ যাচাইয়ের নির্দেশনা। কোনো নির্দিষ্ট ভবনের আইনি মতামত নয়। ভবনের ধরন ও ব্যবহারের ওপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বদলাতে পারে। তাই চূড়ান্ত চুক্তির আগে যোগ্য আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বর্তমান নিয়ম যাচাই করা হবে।

 

ভবন পরিদর্শন থেকে চুক্তি পর্যন্ত কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে? 

প্রস্তাব পাওয়ার পর সরাসরি চুক্তি করা হবে না। ভবনের উপযোগিতা, কাগজপত্র এবং খরচ যাচাই করে ধাপে ধাপে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  1. প্রথম যাচাই: লোকেশন, আয়তন, ভাড়ার প্রস্তাব, খালি থাকার অবস্থা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা দেখা হবে।
  2. ভবন পরিদর্শন: রাস্তা, প্রবেশপথ, প্রতিটি তলা, লিফট, গাড়ি রাখার জায়গা, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তা দেখা হবে।
  3. কাগজপত্র যাচাই: মালিকানা, অনুমোদন, ব্যবহার, নকশা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নথি দেখা হবে।
  4. শর্তের খসড়া: ভাড়া, অগ্রিম, মেরামত, ভাড়া বৃদ্ধি, কর এবং চুক্তি শেষ করার নিয়ম লিখিত হবে।
  5. চুক্তি ও হস্তান্তর: আইনি যাচাই শেষে ভবনের অবস্থা লিখে চাবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বুঝে নেওয়া হবে।

 

EcommerceBD-এর কাজের জন্য সম্পূর্ণ ভবন কেন দরকার

EcommerceBD ভার্চুয়াল অফিস, ব্যবসায়িক ঠিকানা, যৌথ কর্মক্ষেত্র, ব্যক্তিগত অফিস, সভাকক্ষ ও প্রয়োজনমতো ব্যবহারযোগ্য অফিসসেবা নিয়ে কাজ করে। একটি সম্পূর্ণ ভবন পাওয়া গেলে অভ্যর্থনা, গ্রাহকের সঙ্গে সভা, কর্মীদের কাজ এবং সহায়ক কার্যক্রম আলাদা তলায় সাজানো যায়। এতে একই ভবনের অন্য ভাড়াটিয়ার সঙ্গে প্রবেশপথ, লিফট বা নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাগ করার জটিলতা কমে।

আমাদের ভার্চুয়াল অফিস সেবার পেজ-এ সেবার সাধারণ তথ্য রয়েছে। ওয়েবসাইটে গুলশান, উত্তরা, বসুন্ধরা, মতিঝিল, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরকেন্দ্রিক কর্মক্ষেত্র বা লোকেশন পেজও পাওয়া যায়। তবে প্রতিটি এলাকায় একই সেবা বা তাৎক্ষণিক জায়গা খালি আছে—এমন ধরে নেবেন না। সেবা নেওয়ার আগে বর্তমান ঠিকানা, সুবিধা ও জায়গার প্রাপ্যতা লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।

উত্তরা, গুলশান, বনানী, বাড্ডা ও বসুন্ধরা হলো আমাদের বর্তমান ভবন খোঁজার অগ্রাধিকার এলাকা। এগুলোকে EcommerceBD-এর নিশ্চিত নতুন শাখা হিসেবে ধরা যাবে না। ভবন পরিদর্শন, খরচ যাচাই এবং ব্যবস্থাপনার অনুমোদনের পরই নতুন জায়গা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত হবে।

 

ভবনমালিকের জন্য নির্দিষ্ট ভাড়া নাকি লাভ ভাগাভাগি বেশি উপযোগী?

নির্দিষ্ট মাসিক ভাড়ার ক্ষেত্রে কত টাকা, কবে পরিশোধ হবে এবং কতদিন পর ভাড়া বাড়বে—এসব সহজে লেখা যায়। লাভ ভাগাভাগির চুক্তি তুলনামূলক জটিল। এখানে “লাভ” বলতে কী বোঝাবে, কোন খরচ বাদ যাবে, হিসাব কে পরীক্ষা করবে এবং লোকসান হলে কী হবে—এসব না লিখে শুধু একটি শতাংশ উল্লেখ করা নিরাপদ নয়।

  • নির্দিষ্ট ভাড়া: নিয়মিত নির্দিষ্ট আয় চান এমন মালিকের জন্য তুলনামূলক সহজ।
  • লাভ ভাগাভাগি: দুই পক্ষ হিসাব, ঝুঁকি ও আয় যাচাইয়ের নিয়ম বুঝে সম্মত হলে বিবেচনা করা যায়।
  • মিশ্র পদ্ধতি: ন্যূনতম ভাড়ার সঙ্গে নির্দিষ্ট শর্তে বাড়তি আয়ের অংশ রাখা যেতে পারে।

যে পদ্ধতিই নেওয়া হোক, তা সম্পত্তি যাচাই, ব্যবসায়িক আলোচনা এবং আইনজীবীর পর্যালোচনার পর লিখিত চুক্তিতে নির্ধারিত হবে। কোন পক্ষ কত ভাগ পাবে এবং কোন হিসাবের ওপর ভাগ হবে তা পরিষ্কার না করে “৬০/৪০” লেখা হবে না।

 

আপনার ভবনের প্রস্তাব পাঠান

আপনার ৬ বা ৭ তলা সম্পূর্ণ খালি কমার্সিয়াল ভবনটি যদি উত্তরা, গুলশান, বনানী, বাড্ডা বা বসুন্ধরায় হয়, তাহলে পূর্ণ তথ্যসহ আমাদের কাছে প্রস্তাব পাঠান। সব তথ্য একবারে দিলে প্রাথমিক যাচাই সহজ হবে।

ইমেইলে যেভাবে পাঠাবেন

  • বিষয়: কমার্সিয়াল ভবনের প্রস্তাব – এলাকার নাম – মোট ব্যবহারযোগ্য আয়তন
  • বার্তার মধ্যে: মালিকের নাম, পূর্ণ ঠিকানা, প্রতি তলার আয়তন, প্রত্যাশিত ভাড়া, অগ্রিম, সুবিধা ও হস্তান্তরের তারিখ।
  • সঙ্গে দিন: সাম্প্রতিক ছবি বা ভিডিওর লিংক এবং যেসব কাগজপত্র আছে তার তালিকা।
  • ইমেইল: [email protected]
  • ফোন নম্বর: প্রকাশের আগে EcommerceBD-এর বর্তমান অফিসিয়াল যোগাযোগ নম্বর যাচাই করে যোগ করুন।

প্রস্তাব পাঠানো মানেই ভবন পরিদর্শন বা ভাড়া নেওয়া নিশ্চিত নয়। প্রাথমিক যাচাই, সরেজমিনে পরিদর্শন, কাগজপত্র পরীক্ষা, খরচ অনুমোদন এবং আইনি চুক্তি শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

 

ভবনমালিকদের কয়েকটি বাস্তব প্রশ্ন


দালাল বা প্রতিনিধি কি প্রস্তাব পাঠাতে পারবেন?

পারবেন। তবে প্রথম বার্তায় মালিকের অনুমতি, নিজের পরিচয় এবং কমিশনের শর্ত পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে। সরাসরি মালিকের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব কি না সেটিও লিখুন।


ভবনটি একাধিক উত্তরাধিকারীর নামে হলে কী করতে হবে?

সব মালিকের নাম ও অংশের তথ্য দিতে হবে। চুক্তির আগে প্রয়োজনীয় সম্মতি বা বৈধ ক্ষমতাপত্র দেখাতে হবে। একজন মালিকের সম্মতি দিয়ে পুরো যৌথ সম্পত্তি ভাড়া দেওয়া যাবে—এমন ধরে নেওয়া হবে না।


ব্যাংকে বন্ধক থাকা ভবন কি বিবেচনা করা হবে?

বন্ধকের তথ্য শুরুতেই জানাতে হবে। ব্যাংকের অনুমতি বা অনাপত্তিপত্র দরকার কি না আইনি যাচাইয়ে দেখা হবে। তথ্য গোপন থাকলে পরবর্তী ধাপে প্রস্তাব বাতিল হতে পারে।


ভবনে পুরোনো আসবাব থাকলে কী হবে?

আসবাবের ছবি ও তালিকা পাঠান। কোন জিনিস থাকবে, সরানো হবে বা ব্যবহার করা যাবে তা পরিদর্শনের পর লিখিতভাবে ঠিক করা হবে।


একজন মালিক কি একাধিক ভবন পাঠাতে পারবেন?

পারবেন। তবে প্রতিটি ভবনের জন্য আলাদা ঠিকানা, আয়তন, ভাড়া ও ছবির ফোল্ডার দিন। এতে তুলনা ও যাচাই সহজ হবে।


অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও আলোচনা চললে জানাতে হবে?

জানানো ভালো। কোনো শেষ তারিখ বা চলমান আলোচনা থাকলে শুরুতেই লিখুন। একক আলোচনার শর্ত চাইলে তা আলাদা লিখিত চুক্তিতে ঠিক করতে হবে।

প্রথম প্রকাশ: ৪ আগস্ট ২০২৫ | সর্বশেষ সংশোধন: ১০ অক্টোবর ২০২৬
লেখক: EcommerceBD কর্মক্ষেত্রবিষয়ক সম্পাদকীয় দল
ঘোষণা: এই লেখা সাধারণ তথ্য ও ভবনের প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশনা। এটি কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তির আইনি, কর বা বিনিয়োগ পরামর্শ নয়।